আমেরিকা , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপার পেনিনসুলা তুষারঝড়ে বিপর্যয়, অচল রাস্তা ও বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ ডেট্রয়েটে ভাঙা বোতলে নৃশংস হত্যা, দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন স্নোপ্লাওয়ে ধাক্কা, দ্বিতীয় সংঘর্ষে নিহত ফার্মিংটনের বাসিন্দা ক্লিনটন টাউনশিপে গুলিতে নারী-পুরুষ নিহত, তদন্তে পুলিশ ডেট্রয়েটে ভয়াবহ গাড়ি  দুর্ঘটনায় তিন ওয়েইন স্টেট  শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১ প্রধানমন্ত্রী ১৪ এপ্রিল উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু গণমাধ্যম ঠিক থাকলে রাষ্ট্রের তিন অঙ্গ সোজা পথে চলবে : ডা. শফিকুর রহমান ক্লিনটন টাউনশিপে পুলিশের ধাওয়া এড়াতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ২ ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি প্রদান : প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন পাইলট প্রকল্প মিশিগানে সিনাগগে হামলা, সদস্যরা ভয়কে জয় করে একত্রিত মিশিগানে সিনাগগে গাড়ি নিয়ে ঢুকে গুলি, বন্দুকযুদ্ধের পর হামলাকারীর আত্মহত্যা হামলায় আহত সিনাগগ প্রহরী: অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা দমকা হাওয়ার তাণ্ডব : ওয়ারেনে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ায় জরুরি সতর্কতা সিনাগগ হামলার পর গভর্নরের বার্তা : ইহুদিবিদ্বেষ সহ্য করা হবে না সিনাগগে ট্রাক হামলার সময় শ্রেণিকক্ষে ছিল ১০৩ শিশু মিশিগানের সিনাগগে হামলার মূল উদঘাটনের প্রতিশ্রুতি দিলেন  ট্রাম্প মিশিগানে ট্রাক নিয়ে সিনাগগে ঢুকে গুলি, বন্দুকধারী নিহত মেট্রো ডেট্রয়েটে উচ্চ বাতাসের সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের দূষিত স্থানের তালিকায় অ্যান আরবারের সাবেক কারখানা

সাহিত্যবিদ লালন ফকির

  • আপলোড সময় : ০৭-০৩-২০২৬ ১১:৩৬:৫০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৩-২০২৬ ১১:৩৬:৫০ অপরাহ্ন
সাহিত্যবিদ লালন ফকির
বাংলা মরমি -আকাশের ধ্রুবজ্যোতি  লালন ফকিরের ভাবসংগীত বিচিত্রধারায় উৎসারিত। এর মাঝে অন্যতম সাহিত্য-সৌকর্য। সহজাত কবিত্বশক্তির যথাযথ স্ফূরণ ও চারুত্বে লালনের কাব্যসংগীত নানা সাহিত্য প্রকরণে শৈল্পিক  অভিব্যঞ্জনায় সমৃদ্ধ।  আমরা সেদিকে আলোকপাত করব।
সর্বজনীনতা সাহিত্য বিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেন, "অন্তরের জিনিসকে বাহিরের, ভাবের জিনিসকে ভাষার, নিজের জিনিসকে বিশ্ব মানবের এবং ক্ষণকালের  জিনিসকে চিরকালের করিয়া তোলা সাহিত্যের কাজ। "
অর্থাৎ সার্থক সাহিত্যশিল্পী আত্মজ্ঞানের দীপালোকেই সর্বজনের হৃদয়ে প্রবেশ করতে পারেন। তাঁর সৃষ্টির সাথে যখন বিশ্বের মেলবন্ধন ঘটে, তখন একান্ত ব্যক্তিনিষ্ঠ সাহিত্যিকের ব্যক্তি অনুভবের সীমাবদ্ধতা সর্বজনের হৃদয়বেদ্য কথা হয়ে অসীম ব্যাপ্তি লাভ করে। সর্বজনের অন্ত:গ্রাহ্য হওয়ার শক্তিমত্তাই উচ্চাঙ্গ সাহিত্যের পরিচায়ক।
এ নিরিখে  লালনগীতি সাহিত্যপ্রভায় দীপ্ত। 
যেমন, "ক্ষমো ক্ষমো অপরাধ দাসের পানে একবার চাওহে দয়াময় /
ঝড় তুফানে পরিয়ে এবার বারে বারে ডাকি তোমায় "। /লালনের ভক্তিনত চিত্তের এই সমর্পণ  ব্যাকুলতার সাথে অগণ্য মানুষের মরমিয়া আধ্যান একাত্ম হয়ে সর্বজনীন মহিমা লাভ করে।
সাহিত্যের শব্দ  বিষয়ে Coleridge বলেন, "Best words in the best order.অপরিহার্য শব্দের অবশ্যম্ভাবী বাণী বিন্যাসকে কবিতা বলে।" অপরিহার্য শব্দের যথাবিন্যস্ত সৌন্দর্য লালনগীতিতে বিদ্যমান।   নানারকম শব্দফুলে লালন  সংগীত -বাগান সাজিয়েছেন।    শব্দ চয়নের বৈচিত্র্য ও নিপুণতার কিছু দৃষ্টান্ত -
তৎসম :অন্বেষণ, হস্ত, বস্ত্র, পঞ্চ ইত্যাদি
অর্ধতৎসম: জনম,মিছা,যতন ইত্যাদি। 
তদ্ভব :বাড়ি, চাঁদ মাটি, পাহাড় ইত্যাদি ।
প্রতীকধর্মী :অধর  অজান  অবিম্ব, অচিত ইত্যাদি।
হিন্দি :সাঁই, মাফ , কসুর ইত্যাদি।
আরবি: কলেমা, কোরআন, রসুল ইত্যাদি।
ফারসি :পয়দা, নমাজ, দরগা ইত্যাদি।
হিন্দু ঐতিহ্য : রাম, নারায়ণ, গৌর, হরি ইত্যাদি।
লালন  যুগ প্রবর্তক সংগীত স্রষ্টা।
সাংগীতিক ঐশ্বর্যে তাঁর গান শ্রেষ্ঠতম সংগীত পদবাচ্য এবং বাংলা  সাহিত্য-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর সংগীত  যে সমস্ত রাগ-রাগিণীর মায়াঞ্জনে শিল্প -সফল, এর মধ্যে আছে,বাগেশ্রী, দেশ, ভৈরবী, পুরবিয়া, শিবরঞ্জিনী, ধানেশ্রী ইত্যাদি। এসব রাগ রাগিণীর আশ্রয়ে বাংলার মর্মলোকের ব্যাকুলতা তথা মানববেদ্য মরমি মূর্ছনা ভরা বর্ষার কূলপ্লাবী নদীর মত তরঙ্গাকুল।
সাহিত্যের অপরিহার্য উপাদান অলংকার। অলংকার বিষয়ে ভারতীয় মনীষীদের মধ্যে যাঁর নাম সর্বাগ্রে উল্লেখযোগ্য তিনি আচার্য দণ্ডী। এ বিষয়ে আবিষ্কৃত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম হল,  দণ্ডীর 'কাব্যাদর্শ।' তিনি অলংকারকে বলেছেন,'কাব্যের সৌন্দর্য বিধায়ক ধর্ম ।' গ্রন্থটি আজও বহুমানিত।
নানারকম অলংকারের ঝলকে লালনগীতি সাহিত্য আসরে অনন্য। উপমা, রূপক, যমক, বিরোধাভাস, প্রবাদ, অনুপ্রাস, চিত্রকল্প, ইত্যাদি অলংকারে লালন গীতি শ্রীমণ্ডিত। কিছু উদাহরণ _
ওরে আলেফের মানুষ আলোকে রয় (অনুপ্রাস)
শরীয়ত তার সরপোশ খানি (উপমা)
যার আপন খবর আপনার হয় না (বিরোধী ভাস)
সবে কয় সে প্রাণপাখি (রূপক)
সাহিত্যের অপরিহার্য উপাদান, ছন্দ। ছন্দ দ্যোতনায় লালন গীতি চিত্তরঞ্জী ও শ্রুতিনন্দন। একটি উদাহরণ, "কার বা আমি কেবা আমার/
আসল বস্তু ঠিক নাহি তার /
বৈদিক মেঘে ঘোর অন্ধকার /
উদয় হয়না দিনমণি।/"
রসাত্মক বাক্য হল প্রকৃত কাব্যের প্রাণভোমরা। শৃঙ্গার, হাস্য, করুণ, রৌদ্র, বীর ভয়ানক, বীভৎস, অদ্ভুত ও শান্ত।
সাহিত্য বিচারের এই নয়টি রসের ধারা সিঞ্চনে লালন সংগীত অপরূপ মহিমায় অনুবর্তিত।
তত্ত্বজ্ঞ সাধক লালন সার্বিক দিক থেকেই সফল তাত্ত্বিক কবি। তত্ত্ব সাহিত্যের মূল সুর আত্মতত্ত্ব। লালন বলেন, "আত্মতত্ত্ব যে জেনেছে/
দিব্য জ্ঞানী সেই হয়েছে "/।
লালনের এই আত্মদর্শনের সাথে  ইসলামিদর্শন, বেদ  ও দার্শনিক সক্রেটিসের আত্মোপলব্ধির সাযুজ্য দিবালোকের মতই সুস্পষ্ট ।
এই দিব্যজ্ঞান বিষয়ে সক্রেটিস বলেন, "knoweth thyself " (নিজকে  চেন)। 
বস্তুত প্রজ্ঞাপারমিতা, ভক্তির অতলতা, অনুপম কাব্যশ্রী এই ত্রিবেণী সঙ্গমে মিলিত হয়েছে লালন সংগীতের চিরন্তন ধারাপ্রবাহ।
সবশেষে আমরা বলব, সর্বমঙ্গল্য পথের দিশারি লালনগীতির ছত্রে ছত্রে কল্লোলিত শিল্প তথা সাহিত্যের চিন্ময় উদ্ভাস । 

তথ্যসূত্র
(ক) লালন সাহিত্য ও দর্শন, খোন্দকার রিয়াজুল হক সম্পাদিত।
(খ) বাংলার বাউল গান,  উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ।
(গ) বাউল কবি লালন শাহ, অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম।
(ঘ) অলংকার চন্দ্রিকা, শ্রী শ্যামাপদ চক্রবর্তী।
(ঙ) রবীন্দ্ররচনাবলি,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
(চ) সাহিত্য সন্দর্শন শ্রীশচন্দ্র দাশ।
(ছ) হারামণি, অষ্টম খণ্ড,মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন।
(জ) সাহিত্য -বিচার, মোহিতলাল মজুমদার।সাহিত্যবিদ লালন ফকির

বাংলা মরমি -আকাশের ধ্রুবজ্যোতি  লালন ফকিরের ভাবসংগীত বিচিত্রধারায় উৎসারিত। এর মাঝে অন্যতম সাহিত্য-সৌকর্য। সহজাত কবিত্বশক্তির যথাযথ স্ফূরণ ও চারুত্বে লালনের কাব্যসংগীত নানা সাহিত্য প্রকরণে শৈল্পিক  অভিব্যঞ্জনায় সমৃদ্ধ।  আমরা সেদিকে আলোকপাত করব।
সর্বজনীনতা সাহিত্য বিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেন, "অন্তরের জিনিসকে বাহিরের, ভাবের জিনিসকে ভাষার, নিজের জিনিসকে বিশ্ব মানবের এবং ক্ষণকালের  জিনিসকে চিরকালের করিয়া তোলা সাহিত্যের কাজ। "
অর্থাৎ সার্থক সাহিত্যশিল্পী আত্মজ্ঞানের দীপালোকেই সর্বজনের হৃদয়ে প্রবেশ করতে পারেন। তাঁর সৃষ্টির সাথে যখন বিশ্বের মেলবন্ধন ঘটে, তখন একান্ত ব্যক্তিনিষ্ঠ সাহিত্যিকের ব্যক্তি অনুভবের সীমাবদ্ধতা সর্বজনের হৃদয়বেদ্য কথা হয়ে অসীম ব্যাপ্তি লাভ করে। সর্বজনের অন্ত:গ্রাহ্য হওয়ার শক্তিমত্তাই উচ্চাঙ্গ সাহিত্যের পরিচায়ক।
এ নিরিখে  লালনগীতি সাহিত্যপ্রভায় দীপ্ত। 
যেমন, "ক্ষমো ক্ষমো অপরাধ দাসের পানে একবার চাওহে দয়াময় /
ঝড় তুফানে পরিয়ে এবার বারে বারে ডাকি তোমায় "। /লালনের ভক্তিনত চিত্তের এই সমর্পণ  ব্যাকুলতার সাথে অগণ্য মানুষের মরমিয়া আধ্যান একাত্ম হয়ে সর্বজনীন মহিমা লাভ করে।
সাহিত্যের শব্দ  বিষয়ে Coleridge বলেন, "Best words in the best order.অপরিহার্য শব্দের অবশ্যম্ভাবী বাণী বিন্যাসকে কবিতা বলে।" অপরিহার্য শব্দের যথাবিন্যস্ত সৌন্দর্য লালনগীতিতে বিদ্যমান।   নানারকম শব্দফুলে লালন  সংগীত -বাগান সাজিয়েছেন।    শব্দ চয়নের বৈচিত্র্য ও নিপুণতার কিছু দৃষ্টান্ত -
তৎসম :অন্বেষণ, হস্ত, বস্ত্র, পঞ্চ ইত্যাদি
অর্ধতৎসম: জনম,মিছা,যতন ইত্যাদি। 
তদ্ভব :বাড়ি, চাঁদ মাটি, পাহাড় ইত্যাদি ।
প্রতীকধর্মী :অধর  অজান  অবিম্ব, অচিত ইত্যাদি।
হিন্দি :সাঁই, মাফ , কসুর ইত্যাদি।
আরবি: কলেমা, কোরআন, রসুল ইত্যাদি।
ফারসি :পয়দা, নমাজ, দরগা ইত্যাদি।
হিন্দু ঐতিহ্য : রাম, নারায়ণ, গৌর, হরি ইত্যাদি।
লালন  যুগ প্রবর্তক সংগীত স্রষ্টা।
সাংগীতিক ঐশ্বর্যে তাঁর গান শ্রেষ্ঠতম সংগীত পদবাচ্য এবং বাংলা  সাহিত্য-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর সংগীত  যে সমস্ত রাগ-রাগিণীর মায়াঞ্জনে শিল্প -সফল, এর মধ্যে আছে,বাগেশ্রী, দেশ, ভৈরবী, পুরবিয়া, শিবরঞ্জিনী, ধানেশ্রী ইত্যাদি। এসব রাগ রাগিণীর আশ্রয়ে বাংলার মর্মলোকের ব্যাকুলতা তথা মানববেদ্য মরমি মূর্ছনা ভরা বর্ষার কূলপ্লাবী নদীর মত তরঙ্গাকুল।
সাহিত্যের অপরিহার্য উপাদান অলংকার। অলংকার বিষয়ে ভারতীয় মনীষীদের মধ্যে যাঁর নাম সর্বাগ্রে উল্লেখযোগ্য তিনি আচার্য দণ্ডী। এ বিষয়ে আবিষ্কৃত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম হল,  দণ্ডীর 'কাব্যাদর্শ।' তিনি অলংকারকে বলেছেন,'কাব্যের সৌন্দর্য বিধায়ক ধর্ম ।' গ্রন্থটি আজও বহুমানিত।
নানারকম অলংকারের ঝলকে লালনগীতি সাহিত্য আসরে অনন্য। উপমা, রূপক, যমক, বিরোধাভাস, প্রবাদ, অনুপ্রাস, চিত্রকল্প, ইত্যাদি অলংকারে লালন গীতি শ্রীমণ্ডিত। কিছু উদাহরণ _
ওরে আলেফের মানুষ আলোকে রয় (অনুপ্রাস)
শরীয়ত তার সরপোশ খানি (উপমা)
যার আপন খবর আপনার হয় না (বিরোধী ভাস)
সবে কয় সে প্রাণপাখি (রূপক)
সাহিত্যের অপরিহার্য উপাদান, ছন্দ। ছন্দ দ্যোতনায় লালন গীতি চিত্তরঞ্জী ও শ্রুতিনন্দন। একটি উদাহরণ, "কার বা আমি কেবা আমার/
আসল বস্তু ঠিক নাহি তার /
বৈদিক মেঘে ঘোর অন্ধকার /
উদয় হয়না দিনমণি।/"
রসাত্মক বাক্য হল প্রকৃত কাব্যের প্রাণভোমরা। শৃঙ্গার, হাস্য, করুণ, রৌদ্র, বীর ভয়ানক, বীভৎস, অদ্ভুত ও শান্ত।
সাহিত্য বিচারের এই নয়টি রসের ধারা সিঞ্চনে লালন সংগীত অপরূপ মহিমায় অনুবর্তিত।
তত্ত্বজ্ঞ সাধক লালন সার্বিক দিক থেকেই সফল তাত্ত্বিক কবি। তত্ত্ব সাহিত্যের মূল সুর আত্মতত্ত্ব। লালন বলেন, "আত্মতত্ত্ব যে জেনেছে/
দিব্য জ্ঞানী সেই হয়েছে "/।
লালনের এই আত্মদর্শনের সাথে  ইসলামিদর্শন, বেদ  ও দার্শনিক সক্রেটিসের আত্মোপলব্ধির সাযুজ্য দিবালোকের মতই সুস্পষ্ট ।
এই দিব্যজ্ঞান বিষয়ে সক্রেটিস বলেন, "knoweth thyself " (নিজকে  চেন)। 
বস্তুত প্রজ্ঞাপারমিতা, ভক্তির অতলতা, অনুপম কাব্যশ্রী এই ত্রিবেণী সঙ্গমে মিলিত হয়েছে লালন সংগীতের চিরন্তন ধারাপ্রবাহ।
সবশেষে আমরা বলব, সর্বমঙ্গল্য পথের দিশারি লালনগীতির ছত্রে ছত্রে কল্লোলিত শিল্প তথা সাহিত্যের চিন্ময় উদ্ভাস । 

তথ্যসূত্র
(ক) লালন সাহিত্য ও দর্শন, খোন্দকার রিয়াজুল হক সম্পাদিত।
(খ) বাংলার বাউল গান,  উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ।
(গ) বাউল কবি লালন শাহ, অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম।
(ঘ) অলংকার চন্দ্রিকা, শ্রী শ্যামাপদ চক্রবর্তী।
(ঙ) রবীন্দ্ররচনাবলি,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
(চ) সাহিত্য সন্দর্শন শ্রীশচন্দ্র দাশ।
(ছ) হারামণি, অষ্টম খণ্ড,মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন।
(জ) সাহিত্য -বিচার, মোহিতলাল মজুমদার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুকুরকে নির্যাতনের অভিযোগে সেন্ট ক্লেয়ার শোরসের বাসিন্দা অভিযুক্ত

কুকুরকে নির্যাতনের অভিযোগে সেন্ট ক্লেয়ার শোরসের বাসিন্দা অভিযুক্ত